দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর দশমিনায় ইউটিউব দেখে আঙ্গুর চাষে সফলতা দেখছেন উদ্যোক্তা মোঃ কাওসার আলম। তার আঙ্গুর বাগানে দীর্ঘ লতার ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে থোকায় থোকায় আঙ্গুর। গাছে গাছে ঝুলছে হলুদ ও সবুজ রঙের আঙ্গুর। নজর কাড়ছে দুষ্টিনন্দন আঙ্গুনের বাগানটিতে।
দূর থেকে দেখে মনে হয় ইউরোপ দেশের আঙ্গুরের বাগান। গ্রামের মনোরম পরিবেশে বাগানটি হওয়ায় থমকে যাচ্ছে সবাই। প্রতিদিনি বাগান দেখতে ভিড় করছে অসংখ্যা মানুষ। কেউ জানতে পাচ্ছে চাষ করার পদ্ধতি আবার কেউ ছবি তোলায় ব্যাস্ত। উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের কাওসার আলম এর আঙ্গুরের বাগানটিতে মানুষের মন কেড়ে নিচ্ছে।
এবিষয়ে কৃষি উদ্যোক্ত কাওসার আলম বলেন, গার্মেন্টসে কাজ করা অবস্থায় কৃষি উদ্যোক্ত হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। পরে সিদ্ধান্ত নেই আঙ্গুর চাষ করার। পরে রাজশাহী গিয়ে একটি আঙ্গুর বাগানে চাষের পদ্ধতি দেখে ও শুনে গ্রামের বাড়িতে এসে ১৫ শতাংশ জমিতে মাটির কাজ শুরু করি। পরে প্রথমিকভাবে ১০ মাস পুর্বে ৭০টি আঙ্গুর গাছ দিয়ে শুরু করি আঙ্গুর চাষ। কলম চারা লাগানেরা পরে প্রায় ২৫টি গাছ মারা যায়। অবশিষ্ট ৪৫টি গাছের মধ্যে তিন মাসের মধ্যে দুইটি গাছে ফল আসে। সেই ফল নিজে খাই এবং অন্যকেও খাওয়াই। পরে সিন্ধান্ত নেই বানিজ্যিকভাবে আঙ্গুর চাষের। এরপরে জিনাইদহ থেকে ১৫৩টি কলম চারা বাগানে লাগাই। বর্তমানে আরো প্রায় দুইশ কলম চারার অডার দেওয়া হয়েছে। আমার এ আঙ্গুর ১২ মাস ফল দেয়। বর্তমানে তার বাগানের প্রতিটি গাছে আঙ্গরের ভালো ফলন এসেছে। এতে সফল হন তিনি। তিনি আরো জানান, আঙ্গুর বাগানের সার ও সার্বিক সহযোগীতা করছেন উপজেলা কৃষি বিভাগ। আমার বাগানটি করতে খরচ হয় প্রায় প্রায় ৩ লাখ টাকা। বহু মানুষ আসে পরামর্শ নেয়ার জন্য। কৃষি কাজ করতে পারলে কোন লোকসান নেই।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষি বিদ মোঃ জাফর আহমেদ বলেন, উদ্যোক্ত মোঃ কাওসারআলম প্রথমবারেই সফলতা অর্জন করেছেন। আঙ্গুর চাষে এ উপজেলার মাটি উর্বর। তার আঙ্গর বাগানে ভালো ফলন হয়েছে। আর স্বাদও চমৎকার তবে বিষমুক্ত আঙ্গুর বাজারে ভালো দাম পাবেন। কৃষি বিভাগ সব সময তাকে সার্বিক সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন :