বেনাপোল প্রতিনিধি:
বেনাপোল পৌর এলাকার মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত গণসংযোগ, কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করছেন মেয়র পদপ্রার্থী মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের কথা শোনা, সমস্যা ও প্রত্যাশা জানা এবং একটি সুন্দর ও আধুনিক পৌর এলাকা গড়ে তোলার নানা পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলছেন তিনি।
গণসংযোগকালে ব্যবসায়ী, শিক্ষক, শ্রমজীবী, কৃষক, তরুণ, প্রবীণ, নারী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের সঙ্গে কথা বলেন ইমদাদুল হক। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও নাগরিক সুবিধার বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি সবার মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।
সম্প্রতি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান, তাদের মায়েদের সম্মাননা এবং নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার পোশাক ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নেন ইমদাদুল হক। এর ধারাবাহিকতায় শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলামুখী করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
গণসংযোগে তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য একটি সুস্থ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কাজে বেশি করে সম্পৃক্ত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষিত ও দক্ষ তরুণরাই আগামী দিনের বেনাপোলের নেতৃত্ব দেবে। তাদের জন্য খেলাধুলার সুযোগ, শিক্ষার পরিবেশ, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা জরুরি।”
এ সময় তিনি একটি মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ, তরুণদের সুস্থ বিনোদন, খেলাধুলার প্রসার এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
পৌর এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে ইমদাদুল হক বলেন, “বেনাপোল শুধু একটি সীমান্ত শহর নয়, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এই শহরের নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা, রাস্তাঘাট, পানি নিষ্কাশন, আলোকসজ্জা ও নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত করা প্রয়োজন। এ জন্য মানুষের সঙ্গে কথা বলেই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে চাই।”
তিনি বলেন, “আমি শুধু প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না; মানুষের কথা শুনে, তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই। বেনাপোল পৌরবাসীর মতামত ও পরামর্শই হবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি।”
গণসংযোগকালে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারাও তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে মতামত তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষা, খেলাধুলা, মাদকমুক্ত সমাজ, তরুণদের ভবিষ্যৎ, নাগরিক সেবা ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :